1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

বিদ্যুতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে উদ্যোগ নেয়নি সরকার: ম তামিম

৮ জুলাই ২০২২

তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে৷ কিন্তু বিকল্প হিসাবে কয়লা ও পরমাণুবিদ্যুৎ চালু করার উদ্যোগ দ্রুত না নেয়ায় বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম তামিম৷

https://p.dw.com/p/4DsbS
Khaled Muhiuddin Asks 115
ছবি: DW

‘ডয়চে ভেলে খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' ইউটিউব টকশোতে এবারের আলোচনার বিষয় ছিল ‘এত বিদ্যুৎ কোথায় গেল'৷ এবারের আলোচনায় অধ্যাপক ম তামিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ৷

ম তামিম মনে করেন, রেন্টাল-কুইক রেন্টাল বা তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যখন স্থাপন করা হয়েছে, তখন দ্রুততম সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য সেগুলো দরকার ছিল৷ রামপালের মতো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চালু হয়ে গেলে এখন বিদ্যুৎসংকট সৃষ্টি হতো না৷ সেগুলো পিছিয়ে যাওয়াতেই এখন এ সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি৷

তিনি বলেন, ‘‘মূল সমস্যা আমাদের জ্বালানি৷ জ্বালানি খাতকে যদি আমরা উন্নয়ন না করি, তাহলে বিদ্যুৎ আসবে কোত্থেকে? বিদ্যুৎকেন্দ্র তো আমাদের বসে আছে৷ এটা আমরা আগেই বলেছি, প্রাথমিক জ্বালানি যদি আমরা সরবরাহ করতে না পারি, তাহলে হাজার হাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র করে কোনো লাভ নেই৷''

মো. আবুল কালাম আজাদ মনে করেন, এখন বাংলাদেশকে আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়ে সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের উৎপাদনে যাওয়া উচিত৷ পাশাপাশি সাগরে জ্বালানি অনুসন্ধান নিয়েও বাংলাদেশের এগোনো উচিত বলে মনে করেন তিনি৷ তিনি বলেন, ‘‘সব বিষয় বিবেচনা করে, আমাদের গ্যাসের দাম বাড়ানো উচিত৷ এ নিয়ে সমালোচনা আসবে অবশ্যই৷ কিন্তু তারপরও আমাদের গ্যাসের দাম বাড়িয়ে হলেও সাগরে অনুসন্ধান চালানো উচিত বলেই মনে করি৷''

এ বিষয়ে ম তামিম বলেন, ‘‘লাস্ট পিএসসিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে, এর দাম ৭-৮ ডলারে নেয়া হয়েছে৷ সাগরে দুটো সার্ভে করা হয়েছে৷ সিসমিক ছাড়া যদি আমরা এখন পিএসসিতে যাই, আমরা কিন্তু অসুবিধাজনক অবস্থানে থাকবো৷ আমাদের সমুদ্রের তলদেশের তথ্য যদি আমরা না জানতে পারি সঠিকভাবে, যেটা কেবল সিসমিক সার্ভের মাধ্যমেই জানা যায়৷ দুবার টেন্ডার করে একই কোম্পানি পেয়েছে, দুবারই বাতিল করা হয়েছে৷ দুবারই কোনো কারণ না দেখিয়ে টেন্ডার বাতিল করে দেয়া হয়েছে৷ এ কারণে আমরা পিছিয়ে গিয়েছি৷ এ সার্ভে করা থাকলে, আমরা কিন্তু পিএসসির জন্য যেতে পারতাম৷''

এডিকে/এআই