1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

‘মরে যেতে হলে মরে যাব, তবুও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই'

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, বিএনপির এই মুহূর্তের লক্ষ্য হল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ৷ তিনি বলেন, ‘‘এর জন্য মরে যেতে হলে মরে যাব৷ তা না হলে গণতন্ত্র আসবে না৷''

https://p.dw.com/p/4Gzel
ছবি: DW

ডয়চে ভেলের ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়' টকশোতে উপস্থিত হয়ে এ কথা বলেন ইশরাক হোসেন৷ বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া এবং বিএনপির এখনকার আন্দোলনের লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিএনপির মূল লক্ষ্য গণতন্ত্র ফেরত আনা৷ সেজন্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা দরকার এবং বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়৷ তাই বিএনপির এমন সিদ্ধান্ত৷

ইশরাক বলেন, ‘‘এই সরকার আমাদের কোন ‘স্পেস' দিচ্ছে না৷ আমরা সকল কিছু সহ্য করে লড়াই করে জনগণকে সাথে নিয়ে এখন একটা শক্তি তৈরি করে কমর্সচূচি পালন করে যাচ্ছি৷''

তিনি যোগ করেন, ‘‘আমাদের যদি আরো এক লাখ কর্মীও মেরে ফেলে আমরা এই সরকারের অধীনে নির্বাচন করব না৷''

আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে আলোচনায় আসতে চায়, তাহলে তা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি৷

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী৷ তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচন বাদ দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুত্থান সম্ভব নয়৷ সেজন্য আলোচনার বিকল্প নেই৷''

শামীম হায়দার বলেন, ‘‘একটি রাজনৈতিক দলকে ভোট করতে হবে৷ ভোট বর্জন করা মানেই পাঁচ বছরের জন্য অনিশ্চিত হয়ে যাওয়া৷ অথবা ওয়ান ইলেভেনের মত অবস্থা তৈরি হতে পারে৷ একটি রাজনৈতিক দলের কাছে নিশ্চয়ই ওয়ান ইলেভেনের পরিস্থিতি কাম্য নয়?''

তিনি বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ অক্সিজেন ছাড়া বাঁচতে পারলেও ক্ষমতা ছাড়া বাঁচতে পারবে না৷ তাই বিএনপি যা চাইছে, তেমন পরিস্থিতি তৈরি হোক তা তারা হতে দেবে না৷ সুতরাং সবাইকেই ছাড় দিতে হবে৷''

এবারের পরিস্থিতিও ২০১৪ বা ২০১৮-র মতো নয় বলে মনে করেন তিনি৷

‘‘আওয়ামী লীগ দরজা খুলে দেয়নি, অথচ রাষ্ট্রদূতরা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশে চষে বেড়াচ্ছে, কথা বলে বেড়াচ্ছে, সরকারের সাথে দেখা করে বেড়াচ্ছে... নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সব জায়গায় যাচ্ছে৷ এর অর্থ তারা নির্বাচনপূর্ব পরিস্থিতি, নির্বাচনের দিনের পরিস্থিতি ও পরের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে৷ এটা ২০১৮ বা ২০১৪ সালে ছিল না,'' বলেন গাইবান্ধা-১ আসনের এই সংসদ সদস্য৷

জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘‘বিএনপি রাজপথে আন্দোলন করছে বলেই বিদেশিরা বাংলাদেশে এতটা তৎপর হতে পারছে৷''

তবে দু'জনেই বলেন, জনগণের মুখাপেক্ষী না থেকে বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে থাকলে তা কখনোই দেশের জন্য সুফল বয়ে আনবে না৷

জেডএ/এআই

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য